ধর্ম


ইফতারের সময় পাঠ করার দোয়া


দূরবিন ডেস্ক

দূরবিন ডেস্ক

প্রকাশিত:১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার

ইফতারের সময় পাঠ করার দোয়া

ছবি: সংগৃহীত


রমজান মাসে ইফতারের সময় দোয়া কবুল হওয়ার বিশেষ সুযোগ রয়েছে। হাদিসে এসেছে, ইফতারের মুহূর্তে রোজাদারের দোয়া আল্লাহ তাআলা ফিরিয়ে দেন না।

 

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না ন্যায়পরায়ণ শাসক, রোজাদার যখন সে ইফতার করে এবং অত্যাচারিত ব্যক্তির দোয়া।” (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস: ১৭৫২)

 

ইফতারের সময় রাসুলুল্লাহ (সা.) যে দোয়া পাঠ করতেন, তা ইবনু উমার (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে। তিনি বলেন, নবী করিম (সা.) ইফতারের সময় বলতেন- 

ذَهَبَ الظَّمَأُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ

 

উচ্চারণ:
জাহাবায-জামাউ, ওয়াবতাল্লাতিল উ’রুকু, ওয়া সাবাতাল আজরু ইনশাআল্লাহ।

 

অর্থ:
(ইফতারের মাধ্যমে) পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপশিরা সিক্ত হলো এবং যদি আল্লাহ চান, সওয়াব স্থির হলো। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ২৩৫৭)

 

ইফতারের সময় এ দোয়া পাঠের পাশাপাশি নিজের প্রয়োজন, ক্ষমা ও রহমতের জন্য আন্তরিকভাবে দোয়া করা উত্তম। এই সময়টি রোজাদারের জন্য বিশেষ বরকতময়।


সম্পর্কিত

রমজানইফতারধর্ম

জনপ্রিয়


ধর্ম থেকে আরও পড়ুন

৬ মার্চ ২০২৬: আজকের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি

পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী শুক্রবার (৬ মার্চ ২০২৬) ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সেহরি ও ইফতারের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার থেকে ইতিকাফ শুরু, আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা

পবিত্র রমজানের শেষ দশকের নীরব এক আত্মিক প্রশান্তির নাম ইতিকাফ। দুনিয়ার ব্যস্ততা থেকে দূরে গিয়ে সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য লাভের বিশেষ সুযোগ এটি। বাংলাদেশ–সহ বিশ্বের মুসলিম সমাজে ধর্মপ্রাণ মানুষরা এই বিশেষ ইবাদতের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।

ইবাদত ও শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে সময়ের মূল্য শেখায় রমজান

সময়ের মূল্য নিয়ে যুগে যুগে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের বহু মনীষী গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন। রোমান দার্শনিক সেনেকা একবার বলেছিলেন, মানুষ সম্পদ রক্ষায় যতটা সচেতন, সময় ব্যয়ের ক্ষেত্রে ততটাই অসতর্ক। অথচ সময় সম্পদের চেয়েও অনেক বেশি মূল্যবান।

রমজানে যেসব সময় দোয়া কবুল হয়

রমজান মাস আল্লাহর পক্ষ থেকে মুমিনদের জন্য এক বিশেষ নিয়ামত। এ মাসে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের দুয়ার উন্মুক্ত থাকে এবং প্রতিটি নেক আমলের প্রতিদান বৃদ্ধি করা হয়। হাদিসে এমন কিছু সময়ের কথা উল্লেখ আছে, যখন বান্দার দোয়া বিশেষভাবে কবুল হওয়ার আশা করা যায়। অথচ অনেকেই অজ্ঞতার কারণে এসব মূল্যবান সময় অবহেলায় কাটিয়ে দেন।