রাজনীতি


জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ভোলার চার আসনে ১ নারীসহ ৩১ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা


জেলা প্রতিনিধি

জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত:৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৮:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার

জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ভোলার চার আসনে ১ নারীসহ ৩১ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোলা জেলার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ৩১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে একজন নারী প্রার্থী রয়েছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

 

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দাখিল হওয়া মনোনয়নপত্রগুলোর মধ্যে বিএনপি থেকে ৪ জন, জাতীয় পার্টি থেকে ৩ জন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি—বিজেপি থেকে ১ জন, জামায়াতে ইসলামী থেকে ৩ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে ৩ জন, আম জনতার দল থেকে ২ জন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি থেকে ১ জন, গণ অধিকার পরিষদ থেকে ২ জন, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ থেকে ১ জন, খেলাফত মজলিস থেকে ১ জন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি থেকে ১ জন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে ১ জন, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন থেকে ১ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ৬ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

 

ভোলা-১ (ভোলা সদর)

এই আসনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তারা হলেন— বিএনপির গোলাম নবি আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর মো. নজরুল ইসলাম, বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, জাতীয় পার্টির মো. আকবর হোসেন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. মিজানুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ওবায়দুর রহমান, গণ অধিকার পরিষদের মো. আইনুর রহমান জুয়েল, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মোহাম্মদ আশরাফ আলী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিজুল হোসেন।

 

ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন–দৌলতখান)

এ আসনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন— বিএনপির মো. হাফিজ ইব্রাহিম, জামায়াতে ইসলামীর মো. ফজলুর করিম, জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম রিটু, এলডিপির মোকফার উদ্দিন চৌধুরী, আম জনতার দলের মো. আলাউদ্দিন, খেলাফত মজলিসের মো. আবদুস সালাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জাকির হোসেন খন্দকার, মহিবুল্লাহ খোকন ও তাসলিমা বেগম।

 

Related posts here

 

ভোলা-৩ (লালমোহন–তজুমুদ্দিন)

এই আসনে ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তারা হলেন— বিএনপির হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, জাতীয় পার্টির মো. কামাল উদ্দিন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মুহা. নাজিমুল হক, গণ অধিকার পরিষদের আবু তৈয়ব, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মেসলে উদ্দিন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রহমত উল্লাহ।

 

ভোলা-৪ (চরফ্যাশন–মনপুরা)

এ আসনে ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন— বিএনপির মো. নুরুল ইসলাম নয়ন, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল, জাতীয় পার্টির মো. মিজানুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবুল মোকাররম মো. কামাল উদ্দিন, আম জনতার দলের মো. জালাল উদ্দিন রুনী, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আবুল কালাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম।

 

ভোলা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ডা. শামীম রহমান জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে।


সম্পর্কিত

বিএসপিনির্বাচনসংসদ নির্বাচন

জনপ্রিয়


রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি মির্জা আব্বাস

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস অসুস্থ হয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়ে জোর আলোচনা, সভাপতি–সম্পাদক পদে একাধিক নেতা আলোচনায়

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নতুন কমিটি ঘোষণার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। যে কোনো সময় নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে। রোববার (৮ মার্চ) বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, দ্রুতই ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটিসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটি প্রকাশ করা হবে। তাঁর এ বক্তব্যের পর থেকেই সম্ভাব্য নতুন নেতৃত্ব নিয়ে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে।

জবি ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বের দৌড়ে শাহরিয়ার,পরাগ ও রুমি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বকে ঘিরে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকায় উঠে এসেছে তিন নেতার নাম তারা হলেন- মো. শাহরিয়ার হোসেন, সাখাওয়াতুল ইসলাম খান পরাগ ও মোস্তাফিজুর রহমান (রুমি)।

বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি: জামায়াত আমির

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে হওয়া আন্তর্জাতিক চুক্তি নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।