সারাদেশ


কুড়িগ্রামের চারটি আসনের ১৮জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন


জেলা প্রতিনিধি

জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশিত:১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার

কুড়িগ্রামের চারটি আসনের ১৮জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন

ছবি: সংগৃহীত


 
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে কুড়িগ্রামের চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ২৫ প্রার্থীর মধ্যে জাতীয় পার্টি (জাপা) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৬ প্রার্থীসহ ১৮ জন প্রার্থী জামানত হারিয়েছেন। জেলা রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক ঘোষিত বেসরকারি ফলাফল বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
 
 
জামানত হারালেন যারা- কুড়িগ্রাম-১ আসনে মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন ৬ জন। এই আসনে মোট প্রদত্ত ভোট ৩ লাখ ৬৩ হাজার ৩৯৫। এর মধ্যে কাঙ্ক্ষিত ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন ৩জন প্রার্থী। 
 
তারা হলেন-ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হারিসুল বারী হাতপাখা প্রতীকে,তার প্রাপ্ত ভোট ৩৮ হাজার ৮০৭; গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী বিন ইয়ামিন মোল্লা,ট্রাক প্রতীকে তার প্রাপ্ত ভোট ২৩১; আরেক প্রার্থী জাকের পার্টির আব্দুল হাই। গোলাপ ফুল প্রতীকে এই প্রার্থী পেয়েছেন ২ হাজার ৯০৭ ভোট। 
 
 
কুড়িগ্রাম-২ আসনে জামানত হারিয়েছেন জাপা ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীসহ ৭ জন। ৬ লক্ষাধিক ভোটারের এই আসনে ভোট পড়েছে ৪ লাখ ৩ হাজার ৬৩১। ন্যূনতম আট ভাগের এক ভাগ ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন জাপা প্রার্থী সাবেক এমপি পনির উদ্দিন আহমেদ (লাঙ্গল প্রতীকে প্রাপ্ত ভোট ১৩৮৪৬), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী নূর বখত ( হাতপাখা প্রতীকে প্রাপ্ত ভোট ২৪৮২৯), নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুস সালাম (কেটলি প্রতীকে প্রাপ্ত ভোট ১১০০), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রার্থী নূর মোহাম্মদ (কাস্তে প্রতীকে প্রাপ্ত ভোট ৬৫৭), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির প্রার্থী আতিকুর রহমান (কাঁঠাল প্রতীকে প্রাপ্ত ভোট ৪২১),আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির প্রার্থী নজরুল ইসলাম খান (ঈগল প্রতীকে প্রাপ্ত ভোট ৯০৪) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সাফিউর রহমান ( হাঁস প্রতীকে প্রাপ্ত ভোট ৩১৪)। 
 
 
কুড়িগ্রাম-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন ৬ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে জামানত হারিয়েছেন জাপা প্রার্থীসহ ৩জন। ৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪৭০ ভোটারের এই আসনে ভোট পড়েছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৯৩৫। কঙ্ক্ষিত ভোট না পাওয়ায় এই আসনে জামানত হারিয়েছেন জাপা প্রার্থী আব্দুস সোবহান (লাঙ্গল প্রতীকে প্রাপ্ত ভোট ২১১২), গণ অধিকার পরিষদের প্রার্থী সরকার মো: নুরে এরশাদ সিদ্দিকী (ট্রাক প্রতীকে প্রাপ্ত ভোট ৫৯৯) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সাফিউর রহমান (হাঁস প্রতীকে প্রাপ্ত ভোট ২৩৯)। সাফিউর রহমান একই সঙ্গে কুড়িগ্রাম-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারিয়েছেন।
 
 
কুড়িগ্রাম-৪ আসনে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ৫ জনই জামানত হারিয়েছেন। ৩ লাখ ৬২ হাজার ৭৫৩ ভোটারের এই আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ১৪০। জামানত রক্ষার জন্য প্রার্থীদের ন্যূনতম ২৮ হাজার ২৬৭ ভোট প্রয়োজন। জাপা প্রার্থী কেএম ফজলুল মন্ডল লাঙ্গল প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ১৮০ ভোট। আর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী হাফিজুর রহমান হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ২৩১ ভোট। স্বতন্ত্র প্রার্থী রুকুনুজ্জামান,বালতি প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২০ হাজার ৯০২ ভোট; বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) প্রার্থী রাজু আহমেদ। কাঁচি প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ৩২০ ভোট। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) প্রার্থী শেখ মোহামমদ আব্দুল খালেক। মই প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ২০১ ভোট।
 
 

সম্পর্কিত

জামানতকুড়িগ্রাম

জনপ্রিয়


সারাদেশ থেকে আরও পড়ুন

একসঙ্গে এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন মা-ছেলে

জীবনের নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে ৪০ বছর বয়সে এসএসসি পরীক্ষার হলে বসেছেন ফুলঝড়ি বেগম। আর তার পাশেই পরীক্ষার্থী হিসেবে রয়েছেন তার ছেলে মনিরুল ইসলাম। নাটোরের লালপুর উপজেলায় চলতি বছর মা-ছেলের একসঙ্গে এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার ঘটনা এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

সড়কে শুকাতে দেওয়া খড়ে পিছলে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক নিহত

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলায় সড়কে রোদে শুকাতে দেওয়া খড়ে পিছলে ধানবোঝাই ট্রাকের ধাক্কায় এক মোটরসাইকেলচালকের মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনায় তার বুকের পাঁজরের হাড় ভেঙে যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সংবিধান সংস্কারে সরকারি দলের জ্ঞানের ঘাটতি আছে: শিশির মনির

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেছেন, সংবিধান ও সাংবিধানিক সংস্কার বিষয়ে সরকারি দলের পর্যাপ্ত পড়াশোনা ও জ্ঞানের ঘাটতি রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে সমালোচনা করেন।

ধর্ষণ মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল মসজিদের ইমামকে, ডিএনএ পরীক্ষায় মিলল শিশুর প্রকৃত পিতৃপরিচয়

ফেনীর পরশুরামে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া মসজিদের ইমাম মোজাফফর আহমদ অবশেষে ডিএনএ পরীক্ষায় নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন। একই সঙ্গে তদন্ত ও ফরেনসিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ভূমিষ্ঠ হওয়া শিশুর প্রকৃত পিতৃপরিচয়। পুলিশ জানিয়েছে, পরিকল্পিতভাবে ওই ইমামকে মামলায় ফাঁসানো হয়েছিল।