রাজনীতি
মোবাইল নিষিদ্ধ মানেই ভোট জালিয়াতির সুযোগ: সারজিস আলম
.jpg)
ছবি: সংগৃহীত
ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন বহন নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তকে হঠকারী ও ঝুঁকিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপি নেতা ও পঞ্চগড়–১ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী সারজিস আলম। তিনি বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত ভোট জালিয়াতির সুযোগ তৈরি করতে পারে এবং তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করা উচিত।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে নিজের ফেসবুক পোস্টে সারজিস আলম এসব কথা লেখেন। পোস্টে তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধের অর্থ হলো সবাইকে মোবাইল ফোন ঘরে রেখে ভোটকেন্দ্রে যেতে হবে। এমনকি মোবাইল সাংবাদিকতা (মোজো) কিংবা সিটিজেন জার্নালিজমের সুযোগও থাকবে না, যা স্পষ্টতই একটি হঠকারী সিদ্ধান্ত।
তিনি লেখেন, ভোটকেন্দ্রের আশপাশে মোবাইল ফোন না নেওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই। এ ধরনের সিদ্ধান্ত আগে কখনো দেখা যায়নি। এতে কোনো বিপদ বা অনিয়মের পরিস্থিতি তৈরি হলেও ভোটার বা সংশ্লিষ্ট কেউ তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে জানাতে পারবেন না। নিরাপত্তাহীনতার কারণে অনেক ভোটার ভোট দিতেও না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
সারজিস আলম বলেন, সিসি ক্যামেরা থাকলেও তাৎক্ষণিকভাবে অনিয়ম প্রতিরোধে তা কার্যকর নয়। সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষ ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যেভাবে অনিয়ম, কেন্দ্র দখল বা ভোট জালিয়াতির চিত্র ধারণ করে সঙ্গে সঙ্গে প্রকাশ করতে পারেন, স্থায়ী ক্যামেরা তা পারে না। তাঁর মতে, ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনই ভোট চুরি ঠেকাতে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
ফেসবুক পোস্টে তিনি আরও অভিযোগ করেন, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন কার্যত অনিয়ম ও জালিয়াতির সুযোগ করে দিচ্ছে। এসব অনিয়মের ভিডিও যেন কেউ ধারণ করতে না পারে, সে কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
পোস্টের শেষাংশে সারজিস আলম অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান।
উল্লেখ্য, সারজিস আলম আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পঞ্চগড়–১ আসনে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট সমর্থিত এনসিপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
সম্পর্কিত
জনপ্রিয়
রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি মির্জা আব্বাস
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস অসুস্থ হয়ে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি নিয়ে জোর আলোচনা, সভাপতি–সম্পাদক পদে একাধিক নেতা আলোচনায়
ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নতুন কমিটি ঘোষণার প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। যে কোনো সময় নতুন কমিটি ঘোষণা করা হতে পারে। রোববার (৮ মার্চ) বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, দ্রুতই ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটিসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন কমিটি প্রকাশ করা হবে। তাঁর এ বক্তব্যের পর থেকেই সম্ভাব্য নতুন নেতৃত্ব নিয়ে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা আরও জোরদার হয়েছে।

জবি ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বের দৌড়ে শাহরিয়ার,পরাগ ও রুমি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বকে ঘিরে সংগঠনটির নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য নেতৃত্বের তালিকায় উঠে এসেছে তিন নেতার নাম তারা হলেন- মো. শাহরিয়ার হোসেন, সাখাওয়াতুল ইসলাম খান পরাগ ও মোস্তাফিজুর রহমান (রুমি)।

বিদেশি চুক্তি নিয়ে আমাদের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি: জামায়াত আমির
অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বিভিন্ন দেশের সঙ্গে হওয়া আন্তর্জাতিক চুক্তি নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে কোনো আলোচনা করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।


.jpg)





