বাংলাদেশ


ভারতে আটক ফয়সালের সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদন বাংলাদেশের


নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত:০৯ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার

ভারতে আটক ফয়সালের সঙ্গে সাক্ষাতের আবেদন বাংলাদেশের

ছবি: সংগৃহীত


ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় পুলিশ। আটক ফয়সাল ও তার সহযোগীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য কনস্যুলার অ্যাক্সেস চেয়ে আবেদন জানিয়েছে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন।

 

কলকাতার একটি কূটনৈতিক সূত্র জানায়, শনিবার দিবাগত রাতে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর কলকাতায় বাংলাদেশ মিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে আটক দুজনের সঙ্গে কনস্যুলার সাক্ষাতের অনুমতি চেয়েছে।

 

সূত্রটি জানায়, আগামী সপ্তাহের মধ্যে এই সাক্ষাতের অনুমতি পাওয়া যেতে পারে।

 

রোববার পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গোপন ও বিশ্বাসযোগ্য তথ্য ছিল—বাংলাদেশে চাঁদাবাজি, হত্যাকাণ্ডসহ গুরুতর অপরাধ করার পর দুই বাংলাদেশি নাগরিক দেশ থেকে পালিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছেন। সুযোগ পেলে তারা আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বনগাঁ সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

 

তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে বনগাঁ এলাকা থেকে দুই বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়। তারা হলেন পটুয়াখালীর রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ এবং ঢাকার আলমগীর হোসেন।

 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে রাহুল ওরফে ফয়সাল করিম মাসুদ সহযোগী আলমগীর হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশে রাজনৈতিক কর্মী শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যা করে পালিয়ে যান। পরে তারা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন। ভারতের বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করার পর শেষ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় আসেন। তাদের উদ্দেশ্য ছিল সুযোগ পেলে আবার বাংলাদেশে ফিরে যাওয়া।

 

স্পেশাল টাস্ক ফোর্স জানায়, এ ঘটনায় একটি মামলা করা হয়েছে। রোববার তাদের সংশ্লিষ্ট আদালতে হাজির করার পর পুলিশি হেফাজতে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

 

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোড এলাকায় রিকশায় থাকা অবস্থায় দুর্বৃত্তরা শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে। মাথায় গুলি করার পর হামলাকারীরা মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়।

 

শরিফ ওসমান হাদি ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন।


সম্পর্কিত

হাদি হত্যা মামলাহাদি হত্যাফয়সালইনকিলাব মঞ্চ

জনপ্রিয়


বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন

পত্রিকা: ‘মব করে ৭০ হাজারের বেতন ৫ লাখ’

ঢাকা থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক পত্রিকার শিরোনামগুলোতে গুরুত্ব পেয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে রাজনৈতিক আলোচনা, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় কূটনৈতিক উদ্যোগ, শ্রমিকদের বেতন–বোনাস পরিস্থিতি এবং মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা। নিচে আজকের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পত্রিকার প্রধান সংবাদ তুলে ধরা হলো

ফেসবুকে ‘ডাকাতের তালিকা’ প্রকাশ ঘিরে সংঘর্ষ, আহত ৩

ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলার বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চল কাজীর চরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘ডাকাতের তালিকা’ প্রকাশকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

সুনামগঞ্জে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: পাঁচ প্রতিষ্ঠানের ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা

সুনামগঞ্জ পৌর শহর ও সদর উপজেলার রাধানগর পয়েন্ট এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

তারাবিহ নামাজে বের হয়েছিল মাদ্রাসাছাত্র, বাঁশঝাড়ে মিলল রক্তাক্ত লাশ

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ১২ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১১ মার্চ) রাতে উপজেলার বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের শোশাইরচর গ্রামের একটি বাঁশঝাড় থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।