ধর্ম
রোজা রেখে যে ১০টি কাজ আমাদের বর্জন করা উচিত
.jpg)
রমজান মাস কেবল পানাহার থেকে বিরত থাকার নয়; এটি আত্মশুদ্ধি, সংযম এবং নৈতিক শিক্ষার মাস। ইসলামি চিন্তাবিদরা বলেন, রোজার মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহভীতি (তাকওয়া) অর্জন করা, যা কোরআনেও স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে—
হে মুমিনগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর যেন তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।
— সূরা আল-বাকারা, আয়াত ১৮৩
রোজার প্রকৃত শিক্ষা ক্ষুধা ও তৃষ্ণা সহ্য করা নয়, বরং দৈনন্দিন জীবন ও আচরণে সংযম ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। ইসলামি শিক্ষাবিদরা বিশেষভাবে ১০টি বিষয় উল্লেখ করেছেন, যেগুলো রোজা রাখার সময় এড়িয়ে চলাই উত্তম: মিথ্যা কথা ও মিথ্যা আচরণ: রোজাদারের সততা ও সত্যনিষ্ঠার পরিচায়ক।
গীবত ও অপবাদ: অন্যের নিন্দা ও গুজব থেকে বিরত থাকা। অশ্লীল ভাষা ও ঝগড়া: রাগ নিয়ন্ত্রণ ও ভদ্র আচরণ বজায় রাখা।
রাগ ও অসহিষ্ণুতা: আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও ধৈর্য চর্চা। প্রতারণা ও মাপে কম দেওয়া: ব্যবসা ও দৈনন্দিন কাজে সততা। অপচয় ও বিলাসিতা: খাদ্য ও সম্পদের যথাযথ ব্যবহার। হারাম উপার্জন: বৈধ রুজি অর্জন ও ব্যয়। সময় অপচয়: ইবাদত ও সদ্ব্যবহারে সময়ের সদ্ব্যবহার।
লোকদেখানো ইবাদত: আন্তরিকতা ও বিনয় বজায় রাখা। অন্যের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা: ন্যায় ও সামাজিক দায়িত্ব পালনে সচেতন থাকা।
রমজান কেবল ক্ষুধা ও তৃষ্ণা সহ্য নয়; এটি মানব চরিত্র ও সমাজে সততা, সহনশীলতা ও ন্যায়ের চর্চা প্রতিষ্ঠার সুযোগ। রোজার প্রকৃত সাফল্য আসে আচরণে পরিবর্তন ও নৈতিকতা দৃঢ় হওয়ার মধ্য দিয়ে।
জনপ্রিয়
সর্বশেষ
ধর্ম থেকে আরও পড়ুন
৬ মার্চ ২০২৬: আজকের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি
পবিত্র রমজান মাস উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী শুক্রবার (৬ মার্চ ২০২৬) ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সেহরি ও ইফতারের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার থেকে ইতিকাফ শুরু, আগে জেনে নিন গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
পবিত্র রমজানের শেষ দশকের নীরব এক আত্মিক প্রশান্তির নাম ইতিকাফ। দুনিয়ার ব্যস্ততা থেকে দূরে গিয়ে সৃষ্টিকর্তার নৈকট্য লাভের বিশেষ সুযোগ এটি। বাংলাদেশ–সহ বিশ্বের মুসলিম সমাজে ধর্মপ্রাণ মানুষরা এই বিশেষ ইবাদতের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।

ইবাদত ও শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে সময়ের মূল্য শেখায় রমজান
সময়ের মূল্য নিয়ে যুগে যুগে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের বহু মনীষী গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন। রোমান দার্শনিক সেনেকা একবার বলেছিলেন, মানুষ সম্পদ রক্ষায় যতটা সচেতন, সময় ব্যয়ের ক্ষেত্রে ততটাই অসতর্ক। অথচ সময় সম্পদের চেয়েও অনেক বেশি মূল্যবান।

রমজানে যেসব সময় দোয়া কবুল হয়
রমজান মাস আল্লাহর পক্ষ থেকে মুমিনদের জন্য এক বিশেষ নিয়ামত। এ মাসে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের দুয়ার উন্মুক্ত থাকে এবং প্রতিটি নেক আমলের প্রতিদান বৃদ্ধি করা হয়। হাদিসে এমন কিছু সময়ের কথা উল্লেখ আছে, যখন বান্দার দোয়া বিশেষভাবে কবুল হওয়ার আশা করা যায়। অথচ অনেকেই অজ্ঞতার কারণে এসব মূল্যবান সময় অবহেলায় কাটিয়ে দেন।


.jpg)






