স্বামীর মোটরসাইকেলে চড়ে, হাতে হ্যান্ড মাইক নিয়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছাচ্ছেন সংসদ সদস্য প্রার্থী রুম্পা খাতুন। নেই কোনো বড় কর্মী বাহিনী, নেই মিছিল বা শোডাউন। স্বামী–স্ত্রী দুজন মিলেই চালিয়ে যাচ্ছেন তাঁদের নির্বাচনী প্রচারণা।
কুষ্টিয়া সদর–৩ আসনে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির (বিআরপি) নারী প্রার্থী রুম্পা খাতুন এই ব্যতিক্রমী প্রচারণার কারণে ইতোমধ্যেই এলাকায় আলোচনায় এসেছেন। বড় রাজনৈতিক দলগুলোর মতো জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন না থাকলেও নিজস্ব উদ্যোগে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন তিনি। মোটরসাইকেল ও হ্যান্ড মাইকই তাঁর প্রচারণার প্রধান অবলম্বন।
প্রচারণা প্রসঙ্গে রুম্পা খাতুন বলেন, এভাবে মাঠে নামলে অনেকেই নানা মন্তব্য করেন। কেউ উৎসাহ দেন, কেউ আবার নেতিবাচক কথাও বলেন। তবে অল্পসংখ্যক মানুষ যদি তাঁকে ভালোবেসে ভোট দেন, সেটাই তাঁর কাছে বড় প্রাপ্তি।
তিনি জানান, এই নির্বাচনে তিনি উল্লেখযোগ্য কোনো অর্থ ব্যয় করছেন না। তাঁর মতে, রাজনীতিতে টাকার প্রভাব কমিয়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করাই তাঁর লক্ষ্য। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও সততা ও পরিবর্তনের বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
রুম্পা খাতুন বলেন, বড় দলগুলোর মতো ব্যয়বহুল প্রচারণায় তিনি বিশ্বাসী নন। মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ভোগান্তি না বাড়িয়ে শান্ত ও স্বাভাবিকভাবে প্রচারণা চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এভাবেই ভোটারদের সামনে নিজের অবস্থান তুলে ধরতে চান তিনি।
তবে এই শান্ত প্রচারণার মাঝেও বাধার কথা জানান তিনি। রুম্পা খাতুনের দাবি, বিভিন্ন সময় তাঁকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। তবুও তিনি পিছিয়ে যেতে চান না।
এই ব্যতিক্রমী প্রচারণা নিয়ে এলাকাজুড়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। কেউ প্রশ্ন তুলছেন কর্মী বাহিনী ছাড়া এভাবে আদৌ কতটা কার্যকর প্রচারণা সম্ভব। আবার কেউ বলছেন, রুম্পা খাতুনের এই উদ্যোগ রাজনীতিতে নতুন এক দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারে।
.jpg&w=3840&q=75)









