“৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ ভোট নিয়ে দেশে সরকার গঠন হয়, অথচ ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ ভোটের কোনো মূল্যায়ন হয় না। পিআর পদ্ধতিতে ভোট হলে প্রতিটি ভোটের মূল্যায়ন হবে, দেশ ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে মুক্তি পাবে, গুন্ডামি ও চাঁদাবাজিও বন্ধ হবে।”
“আমাদের দাবি ছিল মৌলিক সংস্কার, দৃশ্যমান বিচার এবং পরে জাতীয় নির্বাচন। কিন্তু দৃশ্যমান বিচার বা সংস্কার কোনোটাই হয়নি। নরসিংদীতে এক পুলিশ কর্মকর্তা চাঁদাবাজি বন্ধের ঘোষণা দেওয়ায় অপমানিত হয়েছেন। এ অবস্থায় নির্বাচন হলে গুন্ডাতন্ত্রের উত্থান হবে, চাঁদাবাজি বাড়বে, আরও মায়ের কোল খালি হবে।”
“৫ আগস্টের পরও যখন সন্তানহারা মায়ের কান্না থামেনি, তখনও ওরা নেমেছিল চাঁদাবাজি ও স্টেশন দখলে। এই গুন্ডা ও চাঁদাবাজদের রুখতেই আমরা পিআর পদ্ধতির নির্বাচন চাই। পৃথিবীর ৯১টি দেশে এ পদ্ধতি চালু রয়েছে। যারা বলে ‘পিআর পদ্ধতি খায় না, মাথায় দেয়’, তাদের রাজনীতি করার অধিকার নেই।”