অপরাধ
মিরপুরে নয়নের ‘মাদকের সাম্রাজ্য’, ধরাছোঁয়ার বাইরেই মূল হোতা!

ছবি: দুরবিন নিউজ
রাজধানীর মিরপুরের চিড়িয়াখানা রোড এলাকায় অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে মাদক ব্যবসা। এই এলাকার মাদকের একক নিয়ন্ত্রণ এখন শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী নয়নের হাতে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় দীর্ঘ দিন ধরে এই ‘মাদকের সাম্রাজ্য’ চালিয়ে আসলেও নয়ন রয়ে গেছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, চিড়িয়াখানা রোডের বেশ কয়েকটি স্পট এখন মাদকের অভয়ারণ্য। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: বিসিআইসি কলেজ মেইন রোড প্রাঙ্গণ, কামাল হাউজিং এলাকা, বোটানিক্যাল গার্ডেন স্টাফ কোয়ার্টার সংলগ্ন এলাকা, মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স এলাকা, বাঁশ ও কাঠের ঘরের বস্তি এলাকা।
এই এলাকাগুলোতে দিন-রাত সমানতালে চলছে ইয়াবার রমরমা ব্যবসা। বিশেষ করে ভাসমান ও নিম্নবিত্ত মানুষের ঘরগুলোকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে এই চক্রটি তাদের নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছে।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, নয়ন এই পুরো সিন্ডিকেটের মূল পরিকল্পনাকারী। তার অধীনে একদল কিশোর ও যুবক সরাসরি মাদক বিক্রির কাজ করে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে সে ঘনঘন নিজের অবস্থান পরিবর্তন করে। এখন সে মিরপুরের ট ব্লকের বাসিন্দা, এলাকার সাধারণ মানুষ তার ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায় না। কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে নানাভাবে হয়রানি বা প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
চিড়িয়াখানা ও বোটানিক্যাল গার্ডেন সংলগ্ন এই এলাকাগুলোতে প্রতিদিন হাজারো দর্শনার্থীর যাতায়াত। এর মাঝে প্রকাশ্য মাদক ব্যবসায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবকরা। তারা বলছেন, মাদকের সহজলভ্যতার কারণে এলাকার যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে। মাঝে মাঝে চুনোপুঁটি মাদক বিক্রেতারা ধরা পড়লেও মূল হোতা নয়ন সবসময়ই থেকে যায় অন্তরালে।
এলাকাবাসীর দাবি, অবিলম্বে বিশেষ অভিযান চালিয়ে নয়নসহ এই মাদক সিন্ডিকেটের সকল সদস্যকে আইনের আওতায় আনা হোক।
জনপ্রিয়
সর্বশেষ
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
কমিশন ছাড়া নড়ত না ফাইল, সওজ প্রকৌশলীর সিন্ডিকেটে জিম্মি পুরো ঠিকাদার মহল
সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে টেন্ডার জালিয়াতি, দুর্নীতি, কমিশন বাণিজ্য, শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। দুদকের অনুসন্ধান চললেও এখনো তাঁর কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আমিরাতপ্রবাসীদের ঠকিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুয়া সনদ চক্র সক্রিয়
সংযুক্ত আরব আমিরাতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে ভুয়া শিক্ষাগত সনদ তৈরি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, প্রকৃত শিক্ষার্থীদের রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে জাল সনদ তৈরি করা হতো।

সিঙ্গাপুর-দুবাইয়ে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সাম্রাজ্য, জহিরুল-মাঝহারুলের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ
স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহিরুল ইসলাম এবং তার ভাই মাঝহারুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কোনো অনুমোদন ছাড়াই সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে একাধিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ কিংবা আয় সংক্রান্ত কোনো তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক বা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নথিতে নেই, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা আইনের সরাসরি লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একাত্তরের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশিত এই তথ্য আগারগাঁওয়ের বিসিএস কম্পিউটার সিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত স্মার্ট টেকনোলজিসের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ঘাতকের পরিচয় ও হত্যার কারণ নিয়ে যা জানা গেল
ইতালির রাজধানী রোমের পশ্চিমাঞ্চলের কাসালোত্তি এলাকায় একই পরিবারের তিন বাংলাদেশিকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় ৪৩ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক শাহাদাত হোসেনকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে খুঁজছে ইতালির পুলিশ। নিহতরা হলেন কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের আট বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন দম্পতির ২০ বছর বয়সী ছেলে আমির, যিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।









