অপরাধ
গুলশানে নৃশংস হত্যাকাণ্ড: ফ্ল্যাট থেকে বার ড্যান্সার তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার
.webp)
রাজধানীর গুলশানে একটি বাসার দ্বিতীয় তলা থেকে সাদিয়া রহমান মীম (২৭) নামে এক তরুণীর জবাই করা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মীম পেশায় বার ড্যান্সার ছিলেন এবং পাশাপাশি একটি পার্লারের ব্যবসাও করতেন।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে খবর পেয়ে গুলশানের পশ্চিম কালাচাঁদপুর এলাকার একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মীমের বাড়ি টাঙ্গাইলের ধনবাড়ি উপজেলার মুশুদ্দি পশ্চিম পাড়ায়। তাঁর বাবা মৃত শহীদ আলী।
গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) রওনক আলম জানান, কালাচাঁদপুর পশ্চিমপাড়া পাকা মসজিদ এলাকার ৮৯ নম্বর বাসার দ্বিতীয় তলার বি-২ নম্বর ফ্ল্যাটের মেঝে থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের গলায় ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের আলামত পাওয়া গেছে।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মীম একটি বারে কাজ করতেন। পশ্চিম কালাচাঁদপুরের ওই ফ্ল্যাটে তার সঙ্গে আরও এক তরুণী বসবাস করতেন। তবে মরদেহ উদ্ধারের সময় ওই তরুণীকে পাওয়া যায়নি। তার অবস্থান শনাক্তসহ ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মারুফ আহমেদের প্রস্তুত করা সুরতহাল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শুক্রবার দুপুর থেকে শনিবার রাত ৯টার মধ্যে যে কোনো এক সময় মীমকে জবাই করে এবং উপর্যুপরি কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, হত্যার আগে মীম ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন কি না সে বিষয়ে মতামত জানতে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকদের কাছে আবেদন করা হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সম্পর্কিত
জনপ্রিয়
সর্বশেষ
অপরাধ থেকে আরও পড়ুন
কমিশন ছাড়া নড়ত না ফাইল, সওজ প্রকৌশলীর সিন্ডিকেটে জিম্মি পুরো ঠিকাদার মহল
সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে টেন্ডার জালিয়াতি, দুর্নীতি, কমিশন বাণিজ্য, শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। দুদকের অনুসন্ধান চললেও এখনো তাঁর কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আমিরাতপ্রবাসীদের ঠকিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুয়া সনদ চক্র সক্রিয়
সংযুক্ত আরব আমিরাতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে ভুয়া শিক্ষাগত সনদ তৈরি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, প্রকৃত শিক্ষার্থীদের রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে জাল সনদ তৈরি করা হতো।

সিঙ্গাপুর-দুবাইয়ে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সাম্রাজ্য, জহিরুল-মাঝহারুলের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ
স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহিরুল ইসলাম এবং তার ভাই মাঝহারুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কোনো অনুমোদন ছাড়াই সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে একাধিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ কিংবা আয় সংক্রান্ত কোনো তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক বা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নথিতে নেই, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা আইনের সরাসরি লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একাত্তরের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশিত এই তথ্য আগারগাঁওয়ের বিসিএস কম্পিউটার সিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত স্মার্ট টেকনোলজিসের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ঘাতকের পরিচয় ও হত্যার কারণ নিয়ে যা জানা গেল
ইতালির রাজধানী রোমের পশ্চিমাঞ্চলের কাসালোত্তি এলাকায় একই পরিবারের তিন বাংলাদেশিকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় ৪৩ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক শাহাদাত হোসেনকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে খুঁজছে ইতালির পুলিশ। নিহতরা হলেন কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের আট বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন দম্পতির ২০ বছর বয়সী ছেলে আমির, যিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।









