অপরাধ


অপহরণের ৪১ দিন পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার, প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার


খেলা ডেস্ক

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত:০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার

অপহরণের ৪১ দিন পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার, প্রধান অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে অপহরণের ৪১ দিন পর এক স্কুলছাত্রীকে (১৪) উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মো. সাহেদুল ইসলাম সুজন (২২)–কে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে নোয়াখালীর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গ্রেপ্তার সুজন বেগমগঞ্জ উপজেলার বজরা ইউনিয়নের শীলমুদ গ্রামের মো. শহীদের ছেলে।

 

পুলিশ ও র‍্যাব সূত্র জানায়, উদ্ধার হওয়া স্কুলছাত্রী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত সুজন ও তার সহযোগীরা বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথে তাকে উত্যক্ত করছিল এবং প্রেমের প্রস্তাব দিচ্ছিল। এতে রাজি না হওয়ায় গত ২৩ নভেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে জোরপূর্বক তাকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়।

 

ঘটনার পর পরিবারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করা হলেও স্কুলছাত্রীকে না পাওয়ায় ওই দিনই বেগমগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে অপহরণ মামলা দায়ের হলে র‍্যাব-১১, সিপিসি-৩ নোয়াখালী গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে।

 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-১১ সিপিসি-৩ নোয়াখালী ও র‍্যাব-১০–এর যৌথ অভিযানে রোববার (৪ জানুয়ারি) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। একই অভিযানে প্রধান আসামি সুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

 

র‍্যাব-১১ সিপিসি-৩ নোয়াখালীর কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মুহিত কবীর সেরনিয়াবাত জানান, উদ্ধারকৃত ভিকটিম ও গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে বেগমগঞ্জ থানার মাধ্যমে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। আদালত আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

 

তিনি আরও জানান, ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে ভিকটিম আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।


সম্পর্কিত

অপহরণনোয়াখালীগ্রেপ্তার

জনপ্রিয়


অপরাধ থেকে আরও পড়ুন

কমিশন ছাড়া নড়ত না ফাইল, সওজ প্রকৌশলীর সিন্ডিকেটে জিম্মি পুরো ঠিকাদার মহল

সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে টেন্ডার জালিয়াতি, দুর্নীতি, কমিশন বাণিজ্য, শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। দুদকের অনুসন্ধান চললেও এখনো তাঁর কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আমিরাতপ্রবাসীদের ঠকিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুয়া সনদ চক্র সক্রিয়

সংযুক্ত আরব আমিরাতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে ভুয়া শিক্ষাগত সনদ তৈরি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, প্রকৃত শিক্ষার্থীদের রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে জাল সনদ তৈরি করা হতো।

সিঙ্গাপুর-দুবাইয়ে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সাম্রাজ্য, জহিরুল-মাঝহারুলের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ

স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহিরুল ইসলাম এবং তার ভাই মাঝহারুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কোনো অনুমোদন ছাড়াই সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে একাধিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ কিংবা আয় সংক্রান্ত কোনো তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক বা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নথিতে নেই, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা আইনের সরাসরি লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একাত্তরের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশিত এই তথ্য আগারগাঁওয়ের বিসিএস কম্পিউটার সিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত স্মার্ট টেকনোলজিসের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ঘাতকের পরিচয় ও হত্যার কারণ নিয়ে যা জানা গেল

ইতালির রাজধানী রোমের পশ্চিমাঞ্চলের কাসালোত্তি এলাকায় একই পরিবারের তিন বাংলাদেশিকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় ৪৩ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক শাহাদাত হোসেনকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে খুঁজছে ইতালির পুলিশ। নিহতরা হলেন কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের আট বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন দম্পতির ২০ বছর বয়সী ছেলে আমির, যিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।