অপরাধ


গুলশানে নারীকে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন: ঘটনায় জড়িত পাঁচজন আটক


খেলা ডেস্ক

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত:০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ অপরাহ্ন, রবিবার

গুলশানে নারীকে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন: ঘটনায় জড়িত পাঁচজন আটক

রাজধানীর গুলশানের নর্দা এলাকায় এক নারীকে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে পানি ঢেলে নির্যাতনের ঘটনায় পাঁচজনকে আটক করেছে পুলিশ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।

 

রোববার (৪ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) আলী আহমেদ মাসুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

 

পুলিশের প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, ওই নারীকে চোর সন্দেহে স্থানীয় একটি মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষ ও কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি মিলে আটক করেন। পরে তাকে বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে পানি ঢেলে শাস্তি দেওয়া হয়। নির্যাতনের পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

 

এসি আলী আহমেদ মাসুদ বলেন, এখনো ভুক্তভোগী নারীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। ফলে এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিক কোনো মামলা দায়ের করা সম্ভব হয়নি। নারীকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। তাকে পাওয়া গেলে ঘটনার প্রকৃত প্রেক্ষাপট আরও স্পষ্ট হবে।

 

আটক ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, দুই দিন আগে নর্দা এলাকার একটি স্থানীয় মাদ্রাসা থেকে চুরির চেষ্টা করার সময় ওই নারীকে আটক করা হয় বলে তারা দাবি করেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা বিশ্রামে থাকাকালে ওই নারী দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় গিয়ে ঝুলিয়ে রাখা পাঞ্জাবির পকেট তল্লাশি করছিলেন। এ সময় শিক্ষার্থীরা তাকে দেখে চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন এসে তাকে ধরে ফেলে।

 

পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই নারী প্রথমে বলেন তিনি মেয়েকে ভর্তি করাতে মাদ্রাসায় এসেছিলেন। পরে মাদ্রাসাটি শুধু ছেলেদের জন্য জানানো হলে তিনি বক্তব্য পরিবর্তন করে ছেলেকে ভর্তি করাতে এসেছেন বলে জানান।

 

পুলিশ বলছে, ভুক্তভোগীকে শনাক্ত ও উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা হবে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 
 

সম্পর্কিত

অপরাধগুলশান

জনপ্রিয়


অপরাধ থেকে আরও পড়ুন

কমিশন ছাড়া নড়ত না ফাইল, সওজ প্রকৌশলীর সিন্ডিকেটে জিম্মি পুরো ঠিকাদার মহল

সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে টেন্ডার জালিয়াতি, দুর্নীতি, কমিশন বাণিজ্য, শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। দুদকের অনুসন্ধান চললেও এখনো তাঁর কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আমিরাতপ্রবাসীদের ঠকিয়ে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুয়া সনদ চক্র সক্রিয়

সংযুক্ত আরব আমিরাতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে ভুয়া শিক্ষাগত সনদ তৈরি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, প্রকৃত শিক্ষার্থীদের রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে জাল সনদ তৈরি করা হতো।

সিঙ্গাপুর-দুবাইয়ে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সাম্রাজ্য, জহিরুল-মাঝহারুলের বিরুদ্ধে অর্থপাচারের অভিযোগ

স্মার্ট টেকনোলজিস (বিডি) লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জহিরুল ইসলাম এবং তার ভাই মাঝহারুল ইসলাম রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থার কোনো অনুমোদন ছাড়াই সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে একাধিক কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক ব্যবসা পরিচালনা করছেন বলে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ কিংবা আয় সংক্রান্ত কোনো তথ্য বাংলাদেশ ব্যাংক বা জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের নথিতে নেই, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা আইনের সরাসরি লঙ্ঘন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। একাত্তরের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে প্রকাশিত এই তথ্য আগারগাঁওয়ের বিসিএস কম্পিউটার সিটির অন্যতম প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত স্মার্ট টেকনোলজিসের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।

ঘাতকের পরিচয় ও হত্যার কারণ নিয়ে যা জানা গেল

ইতালির রাজধানী রোমের পশ্চিমাঞ্চলের কাসালোত্তি এলাকায় একই পরিবারের তিন বাংলাদেশিকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় ৪৩ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক শাহাদাত হোসেনকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে খুঁজছে ইতালির পুলিশ। নিহতরা হলেন কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী আরজু বেগম এবং তাদের আট বছর বয়সী মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা। হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন দম্পতির ২০ বছর বয়সী ছেলে আমির, যিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।