কুড়িগ্রামের রাজারহাটে একসঙ্গে তিন কন্যা সন্তানের জন্ম হওয়ায় আনন্দের পাশাপাশি দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছিলেন এক দিনমজুর দম্পতি। দরিদ্র এই পরিবারের অসহায় পরিস্থিতি তুলে ধরে দুরবীন নিউজ ও দৈনিক কালবেলাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি রাজারহাট উপজেলা প্রশাসনের নজরে আসে।

সংবাদ প্রকাশের পরপরই রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল ইমরান বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনায় নেন এবং পরিবারটির খোঁজখবর নেন। পরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আসাদুজ্জামানকে সঙ্গে নিয়ে তিনি পরিবারটির পাশে দাঁড়িয়ে মানবিক সহায়তা প্রদান করেন।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নবজাতক তিন কন্যা সন্তানের পরিবারকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় প্রশাসনের কর্মকর্তারা পরিবারের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং ভবিষ্যতেও প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

citytouch 728-X-90

জানা গেছে, দিনমজুর হিসেবে কাজ করে কোনোভাবে সংসার চালান পরিবারের কর্তা। হঠাৎ একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম হওয়ায় আনন্দের পাশাপাশি সন্তানদের লালন-পালন, চিকিৎসা ও অন্যান্য খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন তিনি ও তার স্ত্রী। আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে নবজাতকদের ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বিগ্ন ছিলেন তারা।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল ইমরান বলেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রশাসন সব সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে। ভবিষ্যতেও পরিবারটির প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান জানান, পরিবারটির আর্থিক ও সামাজিক অবস্থা বিবেচনা করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

উপজেলা প্রশাসনের এই মানবিক উদ্যোগে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে নবজাতক তিন কন্যা সন্তানের পরিবারে। স্থানীয় বাসিন্দারাও প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।