বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নিজের ফ্ল্যাটে উঠবেন, নতুন করে শুরু করবেন জীবনের অধ্যায়। কিন্তু সেই স্বপ্নই পরিণত হয়েছে দুঃস্বপ্নে।
জানা গেছে, প্রায় দেড় কোটি টাকা ব্যয়ে একটি ফ্ল্যাট নির্মাণের পর বিদেশে বসেই একটি ইন্টেরিয়র কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি করেন তিনি। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটি এনআইডি, ট্রেড লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখিয়ে আস্থা অর্জন করে। কাজের অগ্রগতির কথা জানিয়ে ধাপে ধাপে তার কাছ থেকে ২০ লাখ টাকারও বেশি নেয়। ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়।
বিজয়ের মাসে নিজের জীবনের নতুন বিজয়ের গল্প লিখতে চেয়েছিলেন তানিয়া। দশ বছর পর উচ্ছ্বাস নিয়ে দেশে ফিরে যখন তিনি ফ্ল্যাটের দরজায় চাবি ঘোরান, তখন বুকভরা ছিল আনন্দ ও প্রত্যাশা।
কিন্তু দরজা খুলতেই সামনে আসে ভিন্ন বাস্তবতা। ফ্ল্যাট অর্ধসমাপ্ত, দেয়াল ভাঙাচোরা, চারদিকে ধুলা ও অব্যবস্থাপনা। যে আসবাব, এসি ও অন্যান্য সামগ্রী কেনার জন্য তিনি লাখ লাখ টাকা পাঠিয়েছিলেন সেগুলোর কোনো অস্তিত্ব নেই। তার অভিযোগ, সবই লুট হয়ে গেছে।
পরবর্তীতে ইন্টেরিয়র প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলে দেখা যায়, সংশ্লিষ্ট নম্বরগুলো বন্ধ এবং সব মাধ্যমে তাকে ব্লক করা হয়েছে।
নীরব ফ্ল্যাটের ভেতরে দাঁড়িয়ে তানিয়া উপলব্ধি করেন শুধু অর্থ নয়, এক দশকের স্বপ্নও যেন হারিয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে তিনি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।










